টিবিডি ইন্টারভিউ উইকলি : ‘আমরা এখন লোকাল ট্যুরিজমকে গুরুত্ব দিচ্ছি’

ট্রাভেল বাংলাদেশ স্পেশাল : পর্যটকদের দিতে হবে স্মার্ট পরিসেবা, অর্জন করতে হবে তাদের আস্থা


মো. আরিফুল ইসলাম টিপু।

মো. আজহারুল ইসলাম টিপু। ছবি : ফেসবুক


 মো. আজহারুল ইসলাম (টিপু), দেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম একজন উদ্যোক্তা। পড়ালেখা এবং চাকরির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠা করেছেন ডিসকভার হলিডেজ নামক ট্রাভেল কোম্পানি। তিনি এই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। পর্যটকদের কীভাবে সবচেয়ে উন্নত ও ভালো সেবা সরবরাহ করা যায় তার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি ও তার প্রতিষ্ঠান। তিনি মুখোমুখি হয়েছেন ট্রাভেল বাংলাদেশের। কীভাবে তিনি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেন এবং করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কীভাবে সামনে এগিয়ে যেতে চান, এসব নিয়েই কথা বলছেন আজহারুল ইসলাম।

ট্রাভেল বাংলাদেশ : আপনি দেশের একটি সেরা ট্রাভেল কোম্পানি'র প্রতিষ্ঠাতা। নিশ্চয়ই ভ্রমণের প্রতি অনেক ভালোলাগা ছিল এবং আছে। ট্রাভেল সেক্টরে আসা কীভাবে?

আজহারুল ইসলাম টিপু : আমি মূলত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়েছি। পরে ইএমবিএ করেছি। সেখান থেকে ইউএনডিপি'তে জব শুরু করি। ট্রাভেল সেক্টর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম একটা শিল্প। একসময় মনে হলো অনেক স্কোপ আছে এই সেক্টরে। এটা এমন একটা জায়গা যেখানে মানুষকে পরিসেবা দেয়া যায়। আমি মানুষকে সহযোগিতা করতে পছন্দ করি। কমিটমেন্ট রাখা, মানুষকে বিনোদন দেয়ার বিষয়টা আমার ভালোলাগার জায়গা। সেখান থেকে ট্রাভেল সেক্টরে আসা।


মো. আজহারুল ইসলাম টিপু

মো. আজহারুল ইসলাম টিপু। ছবি : ফেসবুক


 আমি দেখতাম যে, মানুষ ট্রাভেলিংয়ের সময় সঠিক তথ্য তেমন একটা পায় না। অনেকে ভুল তথ্য দেন হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ফ্লাইট ইত্যাদি সম্পর্কে। পরে আমি দেখলাম এই জায়গায় কাজ করার অনেক সুযোগ। সেখান থেকে ধীরে ধীরে আরও ভালো লাগা কাজ করে এই ভেবে যে, এখানে অনেক কিছু শেখা যাবে ও মানুষের সাথে মেশা যাবে। একটা বৈচিত্র্য আছে। যদিও পড়াশোনার সময় এরকম ভ্রমণ করতাম না। তবে যখন জবে ছিলাম তখন বিভিন্ন জায়গায় ফিল্ড ভিজিটে যেতে হতো, যেমন : নিঝুম দ্বীপ, নোয়াখালীর হাতিয়া, কক্সবাজার, সিলেটসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রোগ্রাম ছিল, ওখান থেকে ধীরে ধীরে একটা ঘোরার অভ্যাস, ভালোলাগা তৈরি হয়। আর সেই ভালোলাগা থেকেই উদ্যোগের চিন্তা মাথায় আসে।

আরও পড়ুন : ট্রাভেল বিডি ইন্টারভিউ উইকলিতে ‘টিজিবি’ এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরানুল আলম

ট্রাভেল বাংলাদেশ :  ডিসকভার হলিডেইজ-এর যাত্রা শুরু হলো কীভাবে? কেন শুরু করেছিলেন?

আজহারুল ইসলাম : পড়ালেখা শেষ করে জবে এসে দেখলাম যে, কাজ করার সুযোগ তেমন থাকছে না। তখন মনে হলো এমন একটা প্লাটফর্ম তৈরি করা দরকার, যেখানে পরিশ্রম করা যাবে। সেখানে কোনও বাধা থাকবে না এবং কাজের সুযোগ ও স্থান অনেক বড় থাকবে। মনে হলো ট্রাভেল সেক্টর একটা ভালো জায়গা, যেখানে সারাবিশ্ব নিয়ে কাজ করা যাবে। যেখানে কোনও লিমিট নেই। আমি শিখতে পারব, অনেক মানুষের সঙ্গে মিশতে পারব, অনেক ফরেনারের সঙ্গে কাজ করা যাবে। সেই চিন্তা থেকেই ডিসকভার হলিডেজের যাত্রা।


মো. আজহারুল ইসলাম টিপু

মো. আজহারুল ইসলাম টিপু। ছবি : ফেসবুক


 

ট্রাভেল বাংলাদেশ : শুরুতে কী কী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন? সেগুলোকে অতিক্রম করে দেশের অন্যতম সেরা কোম্পানি হওয়ার পেছনে রহস্য কী?

আজহারুল ইসলাম : এই সেক্টরে এসে অনেকে কাজ করেন। কিন্তু যে তথ্যটা প্রকৃতপক্ষে দরকার সেটা অনেক সময় পাওয়া যায় না। অনেক সময় দেখা যায়, ফোন দিলে যেমন তথ্য চাচ্ছি সেটা পাওয়া যাচ্ছে না। একেক প্রতিষ্ঠান একেক রকম তথ্য দিচ্ছে। হুবহু তথ্যটা মানুষ পাচ্ছে না। তখন মানুষ মনে করেন যে, ট্রাভেল সেক্টরে ভুল তথ্য দেয়া হয়। যেমন, অনেক সময় ফ্লাইট ডিলে করে। এই তথ্যটা যদি আমি ক্লায়েন্টকে আগে বলে দিই তাহলে মানুষ আশ্বস্ত হয়, বিশ্বাস রাখতে পারে। এয়ারলাইন্স থেকে ঠিকই আমার কাছে মেসেজ আসে, সেটা যদি আমি সঠিকভাবে ক্লায়েন্টদের জানাতে পারি তখন তারা বুঝে যে প্রতিষ্ঠানটি অনেক ডেডিকেটেড। অ্যাম্বাসিগুলো বিভিন্ন কারণে কিছুদিন পর পর তাদের নিয়মনীতিগুলো পরিবর্তন করে।

সেসব বিষয়ে তথ্য ক্লায়েন্টদের সরবরাহ করা যেতে পারে। এভাবে সার্ভিস দিতে দিতে আমার কাছে মনে হয়েছে যে, মানুষ যেটা চায়, একটা ট্রাস্টের জায়গা এবং সঠিক ইনফরমেশন। সেই সঠিক ইনফরমেশনটা অধিকাংশ জায়গা থেকে পায় না। আবার সার্ভিস দেয়ার পর আমরা গেস্টদের কাছ থেকে ফিডব্যাক নিই যে, কেমন ছিল আমাদের সার্ভিস, বা আপনি আরও কেমন পরিষেবা চান,  আপনি কি হ্যাপি কিনা, আর সামনে আমাদের কাছ থেকে আর কেমন সার্ভিস পেতে চান ইত্যাদি। এই যেমন অনেকে লোকাল ফুড চায়- আবার কিছু মানুষ আছে লাক্সারি খাবার। এই বিষয়গুলো নিয়ে যখন ফিডব্যাক নিয়ে নিয়ে আমরা কাজ করছিলাম তখন কার কোনটা লাগবে সেটা আমরা বুঝে যাই, সেই অনুসারেই দেখা গেছে যে, আমরা সার্ভিস দিতে পারছি। এভাবেই আসলে আমাদের  অগ্রযাত্রা। শুরুতে আমার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল তথ্য প্রাপ্তির ঘাটতি। এটা অ্যাম্বাসিতে যারা বসে আছে তারা অনেক সময় নিজেরাও জানেন না যে আসলে কোনটা সঠিক। আমি তাই বলবো এখানে তথ্য প্রাপ্তির ঘাটতিটা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ট্রাভেল বাংলাদেশ : ডিসকভার হলিডেজ অন্য ট্রাভেল কোম্পানি থেকে কোন কোন দিক দিয়ে আলাদা?

আজহারুল ইসলাম : বিভিন্ন ক্ষেত্রে ট্যুরে পর্যটকদের স্মার্টলি সেবা দিতে হয়। সেটা দেশের ভেতরে বা বাইরে। যেমন, আমার একটা গ্রুপ গেলো মালয়েশিয়াতে। মালয়েশিয়ান গ্রুপে অনেক সময় বাঙালি হিসেবে ইমিগ্রেশনে অবমূল্যায়ন করে থাকে। একটু প্রবলেম ফেস করতে হয়। সেক্ষেত্রে আমাদের ডকুমেন্টগুলো এমন থাকে যে, যখন অ্যাম্বাসিতে যাবে ইমিগ্রেশনে হয়তোবা পুলিশ জিজ্ঞেস করতে পারে, তোমার এটা আছে কিনা ওটা আছে কিনা। গেস্টরা যখন এটা ঠিকভাবে শো করতে পারেন, তখন তেমন সমস্যা হয় না।

যেমন আমরা অনেক আন্তর্জাতিক ট্যুরে বিভিন্ন গ্রুপ নিয়ে গেছি, আমাদের কোনও গ্রুপে কোনও সমস্যা হয়নি। টুকটাক হয়, তবে আমরা সেগুলো স্মার্টলি মোকাবিলা করতে পারি। কারণ আমরা আগে থেকে কোথায় কি আছে সেসব বলে দিই। এই বিষয়টা আমি মনে করি যে, আমাদেরকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।


ডিসকভার হলিডেইজ এর বালি ভ্রমণ

ডিসকভার হলিডেজ এর বালি ভ্রমণ। ছবি : আজহারুল ইসলাম এর ফেসবুক


আরও পড়ুন :  ‘পুরো বাংলাদেশটাই ট্যুরিজম স্পট হতে পারে’
ট্রাভেল বাংলাদেশ : অনেক ট্রাভেল কোম্পানি এখন অনলাইনে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে? আপনার এক্ষেত্রে প্ল্যান কি?

আজহারুল ইসলাম : আমরা গত ডিসেম্বর থেকে অটোমেশনের কাজ আমাদের মতো করে শুরু করেছি, যে আপনি আমাকে ফোন দেবেন অথবা ক্লায়েন্ট আসবে তিনি এখানে বসে সব প্যাকেজ পূর্ণ করবেন। আমরা প্যাকেজিংয়ের অটোমেশন করছি। মার্কেটে আছে হয়তো শুধু টিকেটিং। কিন্তু আমরা পুরো সিস্টেমটা আরও কীভাবে অটোমেশনে আনা যায় সেদিকে নজর দিচ্ছি। মূলত আমরা একজন টুরিস্টকে পুরো প্যাকেজ অফার করছি এবং পরিসেবা দিচ্ছি।

ট্রাভেল বাংলাদেশ : কোভিড-১৯ দেশের ট্রাভেল কোম্পানিগুলোকে ব্যাপকভাবে আঘাত করেছে। আপনারা কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন?

আজহারুল ইসলাম : কোভিডের আগে আমাদের বিভিন্ন দেশে অনেকগুলো ওয়ার্ক অর্ডার ছিল। সেগুলো আমাদের ক্যান্সেল করতে হয়েছে। আমরা অনেক দেশের ইভেন্ট থেকে টাকা পাব। বিভিন্ন দেশে কনফারেন্স ছিল। যেমন, সিঙ্গাপুরে কনফারেন্স ছিল। ওখানে এটেন্ড করতে আমাদের ফুল পেমেন্ট করতে হয়েছে। আমরা এখন সে টাকাগুলো রিটার্ন আনতে পারছি না। আরও যে, ওয়ার্ক অর্ডার ছিল এখন সবাই পোস্টপন করে দিচ্ছে। আবার অনেকে টিকেট ইস্যু করা হয়েছে। এখন তারা টাকাগুলো দিচ্ছে না। তারা বলছে তোমরা নতুন করে কিছু করো, সেই টাকা তখন রি-এড্রেস করে নিবো। অথচ এখন মাঠে এরকম কোনও কাজ নেই। সেই টাকাটা তুলে আনাও আমাদের জন্য কঠিন। মূলত এখন কোনও কিছু সিস্টেমের মধ্যে নেই।


মো. আজহারুল ইসলাম টিপু।

মো. আজহারুল ইসলাম টিপু। ছবি : ফেসবুক


 ট্রাভেল বাংলাদেশ : কীভাবে এই ক্ষতি থেকে বের হয়ে আসার প্ল্যান করছেন? সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো'র পক্ষ থেকে কী কী সহায়তা প্রয়োজন?

আজহারুল ইসলাম : সরকারের কাছ থেকে ওরকম কোনও সহায়তা পাচ্ছি না। ট্রাভেল সেক্টরটাকে সরকার আসলে ওভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে না। হয়তো অনেক পরিকল্পনা হচ্ছে বা উদ্যোগ নিচ্ছে । কিন্তু ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আমাদের যে প্রণোদনা পাওয়ার কথা তা পাচ্ছি না। বাংলাদেশ ব্যাংক যে ঘোষণা দিয়েছে সে ঘোষণার অধীনে আমরা পড়ি না।  নানা শর্ত। সে শর্তে আমরা পড়ি না। ব্যাংকগুলো ট্রাভেল সেক্টরের ওপর আস্থা রাখতে পারে না। তাই ঋণ দেয় না। তারা ভাবে যে, এই সেক্টর ঋণ কীভাবে উঠাবে, তাই দেয় না। আমরা আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত। সরকারের কাছ থেকে কোনও প্রণোদনা পাব বলে মনে হচ্ছে না। আপাতত  আমরা এখন লোকাল ট্যুরিজমটা কীভাবে করা যায় সেই চেষ্টা করছি। কক্সবাজারের নামি দামি ফাইভ স্টার হোটেলগুলোর সাথে  আমাদের এমওইউ হচ্ছে। যারা করোনার আগে সেগুলো করতো না। তবে এখন স্পেশাল কিছু ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এজেন্টদের জন্য। আর আমরা দেশের ভেতরে কিছু ইভেন্ট  করার চেষ্টা করছি, যেটা আমরা আগে করতাম না। এভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চলছে।

ট্রাভেল বাংলাদেশ : ডিসকভার হলিডেজ'কে পাঁচ বছর পর কোথায় দেখতে চান?

আজহারুল ইসলাম : ওয়ান অব দ্য বেস্ট ট্যুরিজম কোম্পানি ইন বাংলাদেশ। যেটা মানুষ চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করবে যে, ওই জায়গায় গেলে আমার বাজেটের মধ্যে বেস্ট প্যাকেজটা পাব। আমার স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে যেটুকু দরকার ততটুকু পাচ্ছি এবং আমার যত পিপলস আছে তারা আছে আমার কাছে।এরকম আমাদের ওপর মানুষের আস্থা তৈরি হোক-সেটা চাই।


ডিসকভার হলিডেইজ এর ট্যুর

ডিসকভার হলিডেজ এর ট্যুর। ছবি : আজহারুল ইসলাম এর ফেসবুক


  আরও পড়ুন : ‘আমার বিশ্বাস, পর্যটনের সকল সংকট আমরা কাটিয়ে উঠতে পারব’


ট্রাভেল বাংলাদেশ : দেশের পর্যটন নিয়ে আপনার স্বপ্ন কী?

আজহারুল ইসলাম : বাংলাদেশ হবে এমন একটা দেশ, যেটা আমরা ইউরোপে দেখি, সবগুলো ট্যুর অটোমেটেড। আমি একটা ট্যুর করবো সেটা অটোমেটেড, আমি একটা প্যাকেজ নিব সেটা অটোমেটেড। আমি যেটাই করি অটোমেটেড। হোটেল করি অটোমেটেড। তাদেরকে ট্রাস্ট করা যাবে।  বাংলাদেশেও এমন হবে প্রত্যেকটা ড্রাইভার, প্রত্যেক হোটেল তাদের মধ্যে প্রফেশনালিজম গড়ে উঠবে এবং তারা গেস্টদেরকে কীভাবে মূল্যায়ন করতে হয় সেটা বুঝবে। আর এটা যে একটা শিল্প সে ধারণা মানুষের মাঝে তৈরি হবে। এমনকি আমি বলব যে, আমার প্রতিষ্ঠান বেস্ট প্রতিষ্ঠান হবে সেটা বিশ্বাস করি। ট্রাভেল বাংলাদেশ : বাংলাদেশে তরুণ একজন ব্যক্তি যদি ট্রাভেল কোম্পানি শুরু করতে চায়, তার প্রতি আপনার সাজেশন কী থাকবে?

আজহারুল ইসলাম : তার প্রতি পরামর্শ থাকবে, প্রথমেই যদি একজন তরুণ একটা ট্রাভেল এজেন্সির সাথে কাজ করে জিনিসটা বুঝার চেষ্টা করে, পারসোনাল গেইনিংয়ের কথা চিন্তা না করে, যদি এটাতে কীভাবে কাজ হয় সে ডেভেলপমেন্ট নিজের জন্য করতে পারে তারপর সে ভাবতে পারে যে, নতুন কিছু করতে পারবো। সে যদি মনে করে যে, এবার আমি নিজে নতুন কিছু করার মতো অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি। তার আগে করা উচিত হবে না।  তার আগে হয়তোবা একটা ল্যাপটপ দিয়ে শুরু করা যায়, এরকম কিছু করলে সার্ভিস দিতে পারবে না। মূলত বৃহত্তর আকারে সার্ভিস দেয়া যায় না, মানুষের ট্রাস্টও অর্জন করা যায় না। কথা হলো, প্রথমে আমাকে শিখতে হবে, তারপর কিছু একটা শুরু করতে হবে।  

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : সাইফুল্লাহ সাদেক